শিরোনাম:
ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫
Editor BD24
সোমবার ● ৩০ জুলাই ২০১৮
প্রচ্ছদ » ফটোগ্যালারী » নারী নির্যাতন
প্রচ্ছদ » ফটোগ্যালারী » নারী নির্যাতন
২৮৮ বার পঠিত
সোমবার ● ৩০ জুলাই ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

নারী নির্যাতন

---হাফিজুল হক : নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা সহ বাংলাদেশের বিস্ময়কর সাফল্যের পেছনে নারীর অগ্রগতি বড় ভূমিকা থাকলেও ঘরের মধ্যে নারীর অবস্থা তেমন বদলায়নি। নিজগৃহে বা সংসার জিবনে নারীরা বিভিন্ন প্রকার নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে।যেমন-শারীরিক, যৌন, মানসিক ও অর্থনৈতিক নির্যাতন যা বিবাহিত নারীরা এর শিকার বেশি হন,দেশের বিবাহিত নারীদের ৭৫ শতাংশই স্বামীর মাধ্যমে কোনো না কোনো সময়ে, কোনো না কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে।৬৫ শতাংশ বিবাহিত নারী স্বামীর মাধ্যমে শারীরিক নির্যাতন ভোগ করেছে, যৌন নির্যাতন ৩৬ শতাংশ, মানসিক ৫০ শতাংশ এবং ৩০ শতাংশ বিবাহিত নারী স্বামীর মাধ্যমে অর্থনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। পারিবারিক নির্যাতন নিয়ে আগে নারীরা মুখ খুলতেন না। ঘরোয়া ব্যাপার বা লজ্জাজনক মনে করতেন। বর্তমানে মুখ খুলেছে। অন্যদিকে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহুদিন আগে থেকেই কাজ হচ্ছে। কিন্তু নারী নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বেড়ে চলছে। এর মূল কারণ হলো, নারী নির্যাতনের বিষয়টি এখনো জাতীয় বিষয়ে পরিণত হতে পারেনি। চোখের সামনে নির্যাতন দেখলেও সবাই মেনে নিচ্ছে। দুর্বল আইনের শাসনও এ ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলছে। তাই এ ধরনের সংস্কৃতি যত দিন পরিবর্তন না হবে, তত দিন নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

মেনে নেয়ার মত নয় এমন একটি তথ্য হচ্ছে অনেক নারীকেই তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্বামীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক গড়তে বাধ্য হতে হয়েছে।সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশে প্রথমবারের মতো নারী নির্যাতন নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে একটি জরিপ চালিয়েছে। ‘ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন (ভিএডব্লিউ) সার্ভে ২০১১’ নামের এই জরিপে নারী নির্যাতনের এ ধরনের চিত্রই উঠে এসেছে। স্বামীর হাতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার কিছু কিছু নারীরা  চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ পান। অধিকাংশ নারীই স্বামীর ভয়ে বা স্বামী সম্মতি না দেওয়ায় চিকিৎসকের কাছ পর্যন্ত যেতেই পারেনি মুখ বুঝে সব অসুবিধা মেনে নিয়ে অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে।অন্যদিকে, উন্নত বিশ্বের নারীরাও পারিবারিক নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। ২০১০ সালের ইউরোপীয় ইউনিয়নের করা এক জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউরোপের প্রতি চারজন নারীর মধ্যে একজন জীবনের কোনো না কোনো সময়ে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হন।ভারতের ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর ২০১১ সালে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বছরটিতে ৪৪ শতাংশ নারী স্বামী বা আত্মীয়স্বজনের মধ্যমে নির্যাতনের শিকার হন। শহরের তুলনায় গ্রামে নারী নির্যাতনের ঘটনা একটু বেশি ঘটে। বয়স অনুযায়ী নির্যাতনের ধরন পাল্টাতে থাকে। আবার যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে অবিবাহিত নারীরা বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও মানসিক নির্যাতনের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীরা এর শিকার বেশি হন। মূলত স্বামীর বাড়িতে নারীরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার বেশি হন। নির্যাতনের কারণে তাঁরা আত্মহত্যা করার চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাহিত নারীদের ৫৬ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর বয়সের আগেই।

আগে নির্যাতনগুলো প্রকাশিত হতো না, এখন প্রকাশিত হচ্ছে। তবে নির্যাতনের ধরনে পরিবর্তন এসেছে।বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার এর মাননীয় প্রধান মন্ত্রি, সোনার বাংলা গড়ার কারিগড় বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের উন্নয়নের উপকার জননেত্রী শেখ হাসিনা নারীউন্নয়নে ও নারীসুবিধার্থে কাজ করে যাচ্ছেন,নারীকে সুশিক্ষায় শিক্ষিতকরন,চাকুরীদান,সকল দপ্তরে নারী অধিকার নিশ্চিতকরন এবং বাল্যবিবাহ রোধ বিষয়ে ব্যাপক ভুমিকা রেখে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে চলেছে তার পরও নারী নির্য়াতন সংসারে ঘরের মাঝে বিরাজ করছে।জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও শিক্ষা ব্যবস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে নারীর আত্মসম্মান বেড়েছে এবং নিজের অধিকারটা বুঝতে পারে সে বিষয়ে অগ্রসর হয়েছে। তবে বিশেষ এক জরিপে জানা গেছে আওয়ামীলীগ সরকার যে ভাবে নারী উন্নয়নে কাজ করে চলেছে এতে আগামী ৫ বছরের মধ্যে নারী নির্যাতন নামটি দেশ হতে মুছে যাবে ।

নারীর সকল প্রকার অধিকার ও উপার্জন ক্ষমতা দিন দিন বাড়িয়ে চলছে।তাছাড়া  বাংলাদেশ সরকার ও ডেনমার্ক সরকারের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীন নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রামের আওতায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টারের টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর ১০৯। বাংলাদেশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ সংশোধিত ২০১৩ অনুযায়ী এসব অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন থেকে মৃত্যুদন্ডও হতে পারে। এ ছাড়া রয়েছে অর্থদন্ডের বিধান।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
চাষী কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম মহানগরীর চারা বিতরণ সম্পন্ন
সাপাহারে পরিবেশ সংরক্ষণে পুলিশের বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত
ওয়ালটন পণ্য রপ্তানি তালিকায় এবার যুক্ত হলো উগান্ডা
মিউজিক ভিডিওতে নিলয়-শেহতাজ (ভিডিও)
শ্রীমঙ্গলে রয়েল ট্রাভেলস লিংকের যাত্রা শুরু
কক্সবাজারে পরিবেশ পুনরুদ্ধারের দাবি সুশীল সমাজের
শিশু নির্যাতন এখন মহামারী
কেমন আছি আমরা সবাই