আজ : শুক্রবার | ১লা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং | ২৭শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়াতে টাটা গাড়ীর গ্রাহক সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত

salim--ishurdi--dasuria tata 18 october 2017 (3)ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের পাবনা সুগার মিলস লিমিটেড সংলগ্ন নিটল-নিলয় প্রকল্পের নিটল মোটরস লিমিটেড গতকাল বুধবার ব্যাপক আয়োজনে জাকজমক পূর্ণ পরিবেশে টাটা গাড়ীর গ্রাহক সমাবেশ ও টাটা গাড়ীর মেলার আয়োজন করেন। উক্ত গ্রাহক সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবদুল মাতলুব আহমেদ চেয়ারম্যান নিটল-নিলয় গ্রুপ।

শফিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুল ইসলাম খাঁনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট শিল্পপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম মান্না সরদার, রোজ এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম এ আজিজ, আবা জুট মিলের পরিচালক শিল্পপতি মোঃ আবু বাসার সিদ্দিকী, খায়রুল গ্রুপ অব ইন্ডাস্টিজ এর স্বত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব মোঃ খায়রুল ইসলাম ও সাবেক এমপি আবদুল বারী সরদার। গ্রাহকদের পছন্দের জন্য মেলায় টাটা গাড়ীর বিভিন্ন ধরনের চেচিস প্রদর্শন করা হয়।

এর আগে রাজাপুর ডিগ্রী কলেজ এলাকা থেকে কয়েক শত মোটর সাইকেল নিয়ে প্রধান অতিথিকে রিসিভ করে র‌্যালি করেন। প্রত্যেক মোটর সাইকেলে একটি করে নিটল মোটরস লিমিটেড’র ছাতা ফুটিয়ে রাখা হয়। রাস্তার দুধারের মানুষ অপলক চোখে দৃষ্টি নন্দন র‌্যালিটি দেখতে থাকেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন রাজশাহী বেতারের নিয়মিত শিল্পী রোকসান আক্তার লাখি।

বক্তারা বলেন, ঈশ্বরদী ধিরে ধিরে বড় থেকে বড় হচ্ছে। এখানে বিভিন্ন কোম্পানী তাদের শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছেন। বাংলার সড়কের প্রাণ পুরুষ নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি আবদুল মাতলুব আহমেদ ঈশ্বরদীতে শিল্প কারখানা নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় এই অঞ্চলের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। মাতলুব সাহেবের সার্বিক সহযোগিতায় ঈশ্বরদীর অনেকে আজ গাড়ীর মালিক হয়েছেন। ঈশ্বরদীর মতো একটি উপজেলা শহরে টাটা গাড়ীর কারখানা নির্মান হলে এই অঞ্চল উন্নয়নের দিকে ধাবিত হয়ে একধাপ সামনে এগিয়ে যাবে। রোজ এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম এ আজিজের সার্বিক প্রচেষ্টায় ঈশ্বরদীতে মাতলুব সাহেবের আগমন ঘটেছে।

বক্তারা আরও বলেন, ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম যাওয়ার সময় পথে স্কেলে ৮ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। এছাড়া রাস্তায় গাড়ী চালাতে হলে পুলিশকে বিভিন্ন ভাবে ঘুষ দিতে হয়। গাড়ীর কাগজপাতি ঠিক থাকার পরেও পুলিশ হয়রানী করে থাকেন। দেশের বিভিন্ন এলাকার রাস্তা নষ্ট হওয়াতে কোমড় ভেঙ্গে যায়। এর পরেও আমাদের গাড়ীর ড্রাইভারেরা কষ্ট সাধ্য করে গাড়ী চালায়, যাত্রী এবং মালামাল গন্তব্যে পৌছে দেয়। গাড়ীর মালিকেরা বলেন, আমাদের গাড়ী না দিয়ে পুলিশদের গাড়ী দিলে ভালো হতো কারণ তখন আর ঘুষ লাগতোনা। প্রধান অতিথিকে কাছে পেয়ে সহজ শর্তে স্বল্প টাকায় কিস্তি করে গাড়ী দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। একই সাথে ঈশ্বরদীতে নিটল মটরর্সের টাটা গাড়ীর কারখানা স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানান। মেলায় দুই শতাধিক গাড়ী বুকিং হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ